
যুদ্ধবিরোধী কবিতা
যুদ্ধ এই একটি গল্প সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে তোমারও সীমানা জানা নেই অস্ত্রের পরেও আমি গম রুটি নিয়ে যুদ্ধ করতে শিখে গেছি কারণ যা ঘটবে,

যুদ্ধ এই একটি গল্প সীমান্ত পেরিয়ে যাচ্ছে তোমারও সীমানা জানা নেই অস্ত্রের পরেও আমি গম রুটি নিয়ে যুদ্ধ করতে শিখে গেছি কারণ যা ঘটবে,

ফিলিস্তিন : দুনিয়ার বুকে এক ক্ষত সেই দেশে আসমান যেন কালা বা লাল ভোরের হাওয়ায় ভাসে জালিমের বোমারু বিমান বিলাপই একমাত্র গান অধিকার করে

বকুলঘ্রাণের হাওয়া কাল খুব ঝড়-বৃষ্টি ছিল অপেক্ষায় ছিলাম কেউ বলবে সাবধানে থেক এতো ছোট হয়ে এসেছে জানালার ফাঁক যতোটা যুদ্ধের খবর রাখি, মানুষ ততটাই

রাষ্ট্র জলাতঙ্ক কুকুরের মতো আর্তনাদ করে উঠছে দেশ কইতেও পারছে না সইতেও পারছে না; লিঙ্গরোগ তাতরাঙ্গির মতো উলঙ্গ নৃত্যে ফেটে পড়ছে যন্ত্রণায় ঘরের ভেতর। তবু

রাশিয়া ন্যাটোয় যোগ দিক একটাই খরগোশ। কলহ না বিবাদ না, এসো মিলেমিশে ভাগ করে খাই। যখন আমি লিখি আর বউ ঘুমোয় রাত ১২টা ১টা

পথ জলের দামে বিকিয়ে দেই সময় নিরুপন করা হয়না জহুরীর মত, আতশ কাঁচের মত যদি পল বুঝতাম এইভাবে হেয়লি করে নষ্ট করি। কড়ায় গন্ডায় বুঝেনিতাম

সিল্ক রুট নগ্ন পদ-ছিল না জুতা চরণ যুগলে এমনই এবড়ো থেবড়ো চড়াই উৎড়াই পথে অবিরাম কেটেছে আঙুল অজস্র ফুলের সমারোহে ধাঁধিয়েছে চোখ পাহাড়ে অপরূপ

আগামির নক্ষত্র এবং আমি ছারপোকা খেয়ে খেয়ে করেছে বিনাশ রক্ত; বেলুন হয়েছে বাষ্প বানরের নখে উকুন; বাদাম, কলা-পেটে হয়েছে সাবার। অর্থনীতি পড়েছে ধরা, বৈদেশিক পণ্য

ফিরে আসি তোমার কাছেই আমি অলক্ষেই থেকে যাই ওর; দীপান্বিতা তাকে দেখি আপন গরিমায় কেমন আপনিই আচ্ছন্ন; তার চারপাশে নাচছে রহস্য-প্রজাপতি। আমার হাতের দীপটিতো নিভু

জবাই, জবাই শুভ হোলিখেলা-লোহিত খুনের উৎসব পিপাসার্ত তরবারি / করছে মিছিল / জবাই জবাই / চুপ / বলিস না / পারব না নিতে / রক্তাক্ত