
ফালগুনী রায়-এর কবিতা
ইট ইজ ক্রিকেট জীবনের প্রথম ইনিংস শূন্য রান করবার পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করবার জন্যে আমি এখন তৈরি হয়ে নিচ্ছি জীবনের প্রথম জংশন মাতৃজঠর হতে

ইট ইজ ক্রিকেট জীবনের প্রথম ইনিংস শূন্য রান করবার পর দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করবার জন্যে আমি এখন তৈরি হয়ে নিচ্ছি জীবনের প্রথম জংশন মাতৃজঠর হতে

সাদা একটা পতাকা স্বপ্ন কি তুমিই দেখেছিলে শুধু! আমি? একসঙ্গেই যে ছিল আমাদের স্বপ্নের বুনন; যুগল বুনন- সাদা রাজহাঁস সাদা কবুতর সাদা বক, বেলিফুল আর

বেদনা-প্রধান আশা ঘুমিয়ে পড়ার আগে মধ্যরাতে আমার পরিচিত মানুষদের মুখ ও কথোপকথন খুব মনে পড়ে প্রতিদিন… সেখানে একজনও অচেনা মানুষ থাকে না। আমি চোরকে চোর

আকাশে উড়ে সাইকেলের ডানা আগন্তুক সময়ের প্রতিবিম্ব সামনে দাঁড়ালেই অচেনা ঠেকে, সাইকেলের ডানায় ভেসে যায় আগামি-স্তব্ধতা, আকাশ পাড়ি দেয় মেঘ! একপশলা বৃষ্টি এইসব দিন শেষে

ঝুলন ………………… যতই ঝুলন খেলো তুমি আমি ঝুলছি না… ঝুলবারান্দায়… যতই ফুটুক নন্দন কানন… আকাশলীনায় ঝুলছে… ঝুলুক… ঝুুলন পূূর্ণিমা… ঝো-লা-ঝু-লি ঝুলন ঝুলন খেলায়… মেলায়… ঝুলন্ত

পোড়া ঘাস নিজেকে সমর্পণ করতে করতে দেখি সূর্য ধূ ধূ বিকেলের দিকে নামে, ক্লান্ত পাখির ডানা ছুঁয়ে যায় একদিন তোমার রঙিন জামার মতো মেঘের পাহাড়;

আকাশে উড়ে সাইকেলের ডানা আগন্তুক সময়ের প্রতিবিম্ব সামনে দাঁড়ালেই অচেনা ঠেকে, সাইকেলের ডানায় ভেসে যায় আগামী-স্তব্ধতা, আকাশ পাড়ি দেয় মেঘ! একপশলা বৃষ্টি এইসব দিন

ক. গোলের খেলা ফুটবল ফুটবলও গোল শুটিংয়ের গয়নাবোঝাই বউয়ের মত সাজানো বাপ-দাদার এ শহরে কৃষকের ক্ষেতে পঁচতে থাকা সবজির চেয়েও কমদামে মানুষের কাটা তাজা মাথা

আমি আর কবিতা লিখবো না আমাকে কবিতা আচ্ছন্ন করে, তবু আমি কবিতা লিখতে পারি না আমার গুম হয়ে যাওয়ার ভয়- আমাকে কবিতা ভালোবাসে, তবু

একুশ শতকের দুই বাঙালির আলাপসালাপ ধরেন যে, দুর্বায় চিত হইয়া শুইয়া আমি যখন দেখি নীল আসমান আপনি কইলেন ‘দিকদিগন্তে শুভ্রনীলাকাশ’। এই কথায় আমার আসমানে কালিঝুলি,