
যুদ্ধবিরোধী কবিতা
যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াও, হে কবিতা! মানুষের হিংস্রতা কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রাণ লালসার লেলিহান অগ্নিশিখা পোড়াচ্ছে সভ্যতা ধ্বংসযজ্ঞের পাশবিক যুদ্ধ বিমান। সুললিত, শিল্পিত, মানবিক হে

যুদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াও, হে কবিতা! মানুষের হিংস্রতা কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রাণ লালসার লেলিহান অগ্নিশিখা পোড়াচ্ছে সভ্যতা ধ্বংসযজ্ঞের পাশবিক যুদ্ধ বিমান। সুললিত, শিল্পিত, মানবিক হে

নস্ত্রাদামুস [পৃথিবীর সব গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে ] কেন এত হেঁয়ালিতে শ্লোক লিখে রেখে গেছ নস্ত্রাদামুস? লিখে গেছ এক দেশ চুরমার হবে রাতারাতি, লক্ষ মানুষ

মানুষ মিছিল হও শামিল (পৃথিবীর সকল যুদ্ধবাজের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ) বারুদের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দিয়ে প্রতিদিন প্রতিরাতে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালাও তুমি তোমার সেই কালো হাতের

যুদ্ধবিরোধী কবিতার খসড়া সেদিন তোমাকে ভালোবেসে কী উল্লাসে হাতে তুলে নিয়েছিলাম বন্দুক দেশমাতৃকার পায়ে রক্তজবার মতন নিজেকে অঞ্জলি দেব বলে ; ট্রিগারে আঙুল, রাতজাগা

এতোটা দূরের দ্বীপে এতোটা দূরের দ্বীপে কখনো কি এসেছিলি তুই? পলিহীন যে–মাটিতে বিরহই সারাক্ষণ ঝিঁঝিঁ হয়ে ডাকে বৎস, তোর জন্যে আজ আমার প্রার্থনা- তোর

অস্তিত্ব কোন দিকে এগুচ্ছে আমার পদধ্বনি যেখানে পা ফেলি চোরাবালিতে ডুবে যাই, দিক্্বিদিক শূন্যতায় নেচে উঠে প্রেমিকার গৃহ। মাঠে ঘোড়ার পাল দৌড়াদৌড়িতে বাতাসের

পর্যুদাস স্বাধীনতা বলতে ওরা বুঝতো গুহার ভেতরে অন্ধকার মুক্তি বলতে ওরা বুঝতো সনদে স্বাক্ষরিত দলিল সত্য বলতে ওরা বুঝতো অন্ধত্বের কাছে নতজানু থাকা বিপ্লব

সেই সব যুদ্ধ সেই সব যুদ্ধই তো ছিল ভালো– কোনো এক রাজন্যের আহবানে বেরিয়ে পড়তাম রাস্তায়– বর্মে আচ্ছাদিত হয়ে নাঙা তলোয়ার হাতে নদী ও

ফ্যাসিবাদ ক স্বপ্ন দেখে, একদিন পৃথিবীটা বেগুনীরঙের পতাকায় ভরে যাবে! … খ স্বপ্ন দেখে, একদিন পৃথিবীটা নীলরঙের পতাকায় ভরে যাবে! … গ স্বপ্ন দেখে,

বিনিয়োগ আজকাল পিলাতের মতো কেউ হাতধুয়ে রক্ত থেকে নিজের নির্দোষতার ঘোষণা দেয় না এখন সবাই নাকি সিয়োনের রাব্বি এবং তাদের জনতা দেবতার নাম