
চারবাক সিরিজ: মজিব মহমমদ এর কবিতা
ফতোয়া তাকে; ঘর থেকে টেনে আনার হুলস্থূল শব্দে বাতাসে মিলিয়ে গেল মলিকার তাজা ঘ্রাণ, মাথার উপর আকাশটা রেখে যে দূরগামি পাখিসব ডানা ঝাপটাচ্ছিল কলরব তুলে,

ফতোয়া তাকে; ঘর থেকে টেনে আনার হুলস্থূল শব্দে বাতাসে মিলিয়ে গেল মলিকার তাজা ঘ্রাণ, মাথার উপর আকাশটা রেখে যে দূরগামি পাখিসব ডানা ঝাপটাচ্ছিল কলরব তুলে,

ঘুরে ঘুরে নাচি আমার মাঝে মাঝে রাস্তায় খুব ঘূর্ণি নাচতে ইচ্ছে করে পৃথিবীর সব মঞ্চই খুব ছোট মনে হয় আদিম শিকারিরা যেমন দড়ির চক্কর ছুঁড়ে

মৃত শালিক সৌন্দর্যের দ্যুতি ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছ নিষ্পলক মাল্টিকালার আলোয় ঝলমল আইলাইনার টানা চোখদুটি; আগন্তুকের দৃষ্টি খোঁজে কালারফুল ব্রা-র ফিতে অথবা উত্তেজক ওষ্ঠজোড়া মোহন দৃষ্টিতে

স্বপ্ন ভাঙা পদাবলি কর্কশ পেরেক বুকে ঠুকে যন্ত্রণায় কাতর হৃদয় অগ্নিদগ্ধ পোড়া ঘ্রাণ জীবনের রঙ বদলায়। হৃদয়ের কাছাকাছি নেমে পড়ে বাইরে ফাগুন জলের সংসার থেকে

বৃক্ষের মঞ্চে আত্মহত্যার গান বৃক্ষের শরীরজুড়ে অদৃশ্য ব্যাধি ক্ষীণকায় দেহটা ঝড়ের বিপরীতে দৃঢ় বিশ্বাসে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না পূর্বপুরুষের মতো তারাও অসহায় মুখোশধারী বৃক্ষ বাঁচাও

জন্মান্ধ ঘোড়া কেমন ছিল আমাদের দুঃখ ভরা রাত কিংবা দিন দূরে কোথাও মায়ের হৃদপিন্ডে- জন্মান্ধ ঘোড়া ছড়িয়ে দিল- ধর্মের দ্রোহী বিষ, ব্লু-ফিল্ম, নাগরিক কলহ রাষ্ট্রের

যে যুবক ঘুমিয়ে আছে যে যুবক ঘুমিয়ে আছে নেশার ঘোরে কিংবা অন্তর্জালে সভ্যতার অবিনাশী গান তার কানে তুলে দাও। পরম মমতায় তার হাতে তুলে দাও-

ভালোবাসা সকাল প্রতিদিন সকালটা দাঁড়িয়ে থাকে, অথবা দাঁড় করিয়ে রাখি ওপাশে। ঘুমখুন ভালোবাসা- আদর করে ডেকে দিই, এলোমেলো উষ্ণ পরশে জড়িয়ে নিই অতঃপর। সকালটা দাঁড়িয়েই

শ্রীবাস পণ্ডিতের বাড়ি [উৎসর্গ: কবি ফজলুল হক] পাখিবাগানের পাঠশালায় নিদনপুর তাম্রশাসনের পাঠ, অতঃপর নীলকণ্ঠ পাখি এক বিচালি ছেড়ে ডানা মেলে নিজেকে খোঁজে গঙ্গারিদ, ইনকা

এক কাপ কবিতা মারা যাওয়ার শব্দ শুনতে পাই চোখওয়ালা কিছু কণ্ঠস্বর আর্তনাদ করে করে থেমে যাচ্ছে কবরের অন্ধকার বারান্দায় কবিরাও আজকাল দেখি চুপিসার ঠিক একটা