
আসমা সুলতানা শাপলা’র কবিতা
হরফেরা উইড়া যায় তোমার কোনো খবর নাই উইড়া গেছ হাওয়ায়? বাতাসে? আকাশের দেশে? এইখানে রাইত আন্ধার কড়াগুলা নইড়া উঠে স্বপনের দেশে হাওয়া নাই নীল নাই

হরফেরা উইড়া যায় তোমার কোনো খবর নাই উইড়া গেছ হাওয়ায়? বাতাসে? আকাশের দেশে? এইখানে রাইত আন্ধার কড়াগুলা নইড়া উঠে স্বপনের দেশে হাওয়া নাই নীল নাই

মুখায়ব মুখায়বে খেলা করে অন্য মানুষচাক চাক করে কেটে ফেললে নিজেকেঅসংখ্য সত্তা দেয়ালে আঁকা হয়বিন্দু বিন্দু ঘাম আর বীর্যের খেলাবিষের বাঁশি বাজায়; নির্মেদ একখণ্ড জীবনীজীবন্ত

শহরময় প্রজাপতির মৃত শরীরছড়িয়ে ছিটিয়েহাজার নয় লক্ষাধিকআব্বু— এইখানে… রঙীন পাখনাবিস্রস্ত এলোমেলোবাবুর মায়ামাখাহাতছানিযেন প্রজাপতি কিছুক্ষণ পর অজস্র পিঁপড়েরমিছিল ওই শরীরেনিশ্চিহ্ন আপাত সুন্দর নিজস্ব নিস্তেজ দেহ টেনে

মুখাবয়বে খেলা করে অন্য মানুষচাক চাক করে কেটে ফেললে নিজেকেঅসংখ্য সত্তা দেয়ালে আঁকা হয়বিন্দু বিন্দু ঘাম আর বীর্য্যের খেলাবিষের বাঁশি বাজায়; নির্মেদ একখণ্ড জীবনীজীবন্ত একটা

দেয়াল এখন নিজের হাত বিশ্বস্ত নয়অদৃশ্য দেয়াল গড়ে দিয়েছে কেউসে—কি ঈশ্বর পরম মমতার প্রকৃতিনা—কি সৃজন মানুষেরইরক্তে অমানবিকতাবিশ্বাস হন্তার অপর নাম মানুষদূরে সরিয়ে দিচ্ছে নিজেকেএকি অপূর্ব